Send Question & Get Answer Send Here
coinpayu

শীতে শরীর গরম রাখার উপায়

শীতে শরীর গরম রাখার উপায়,Beauty, Diet, Fitness, Health, healthcourtesy, Tips for Men and Women, শরীর গরম রাখে যেসব খাবার,শরীর গরম রাখার আয়ুর্বেদিক খাবার,Five foods to keep warm this winter,শীতে শরীর গরম রাখার উপায়,শীতকালে শরীরকে গরম রাখতে খেতে হবে এই খাবারগুলো,শরীর গরম রাখার খাবার,ঠাণ্ডা থেকে রক্ষার ১০ টিপস ,,

শীতে  শরীর গরম রাখার উপায়

প্রবল শীতে কাঁপছে দেশ। অনকের শরীরের তাপমাত্রা খুবই কম। মনে হয়, শরীর সব সময় শীতল থাকে। হাত,পা কিংবা শরীরের অন্যান্য অংশে তাপমাত্রা হয়তো স্বাভাবিকের তুলনায় কম। এখন, প্রশ্ন হচ্ছে, কি ভাবে শরীরের তাপমাত্রা বাড়াবো?

শীতে  শরীর গরম রাখার উপায়


প্রথমেই আপনাকে জানতে হবে তাপের পরিবহন এবং পরিচলন। আপনি যখন ঠাণ্ডা ফুটপাথে দাঁড়িয়ে আছেন, তখন তার সংস্পর্শে আপনার পা ঠাণ্ডা হয়ে যাওয়া হলো পরিবহন। আবার ঠাণ্ডা বাতাসের সংস্পর্শে আপনার নাকের ডগা ঠাণ্ডা হয়ে যাওয়াটা হলো পরিচলন। এবার দেখুন এই দুইটি জিনিস বুঝে কীভাবে নিজেকে দিব্যি গরম রাখতে পারবেন কনকনে শীতের রাতেও।

কয়েক স্তরে কাপড় পরুন একটা মোটা চাদর বা জ্যাকেট পরার চাইতে দুটো অপেক্ষাকৃত পাতলা সোয়েটার পরলে শীত কম লাগবে। কারণ এসব স্তর সরাসরি আপনার শরীর থেকে বাইরে তাপ পরিবহন ও পরিচলনে বাধা দেবে। এছাড়া এই দুটি স্তরের মাঝে আটকে থাকা বাতাস ইনসুলেটরের কাজ করে তাপ ধরে রাখবে আপনার শরীরে। কাঁপুনি থামান কাঁপুনি শুরু হওয়া মানেই হলো 
আশেপাশে অতিরিক্ত ঠাণ্ডা যা আপনার শরীর মোটেই সহ্য করতে পারছে না। আপনার উচিত হবে দ্রুত কোনো গরম জায়গায় চলে যাওয়া। ঠাণ্ডায় আমাদের শরীরে কাঁপুনি দেখা দেয় কারণ এর মাধ্যমে শরীর নিজেকে গরম করার চেষ্টা করে। পেশিগুলো কাঁপুনির মাধ্যমে ক্যালোরি ক্ষয় করে এবং তাপ উৎপাদন করে। কাঁপুনি থেমে যাবার জন্য অপেক্ষা করবেন না মোটেই।

কারণ হাইপোথার্মিয়ার মধ্যবর্তী পর্যায়ে মানুষের শরীর কাঁপুনি থামিয়ে দেয়। এ পর্যায়ে কাঁপুনিতেও শরীর নিজেকে রক্ষা করতে পারে না। ভালোভাবে খাওয়া দাওয়া করুন শরীর যেন নিজেকে গরম রাখতে পারে তার জন্য একে জ্বালানী সরবরাহ করুন অর্থাৎ খাওয়া দাওয়ার ব্যাপারে মনোযোগী হন। এতে আপনার রক্তে চিনির পরিমাণ ঠিক থাকবে আর শরীর থাকবে গরম। এছাড়াও প্রয়োজনমতো পানি পানেও মনোযোগী থাকুন। অভ্যাস করে ফেলুন বাসার বাইরে শীতের মাঝে অনেকটা সময় কাটাতে হয়? ঠাণ্ডার প্রতি অভ্যস্ত হয়ে যান। শরীরকে ঠাণ্ডা সহ্য করতে শেখান। শরীর ফিট রাখাটা এ জন্য জরুরি। কিন্তু বেশী শুকনো গড়ন হলে আবার সমস্যা। কারণ শরীরে যথেষ্ট ফ্যাট না থাকলে শীতের মোকাবেলা করা যায় না।


 উজ্জ্বল বর্ণের ভিটামিন সি সমৃদ্ধ ফল কমলা, জাম্বুরা জাতীয় ত্বক ফল গুলো থেকে ফ্ল্যাভোনয়েড এবং রোগের বিরুদ্ধে লড়াই করার পুষ্টি উপাদান পাওয়া যায়। এগুলো ভালো কোলেস্টেরলের পরিমাণ বাড়াতে এবং খারাপ কোলেস্টেরলের পরিমাণ কমাতে সাহায্য করে। এছাড়া এসব ফল শীতকালে দেহের উষ্ণতা বাড়াতে সাহায্য করে।



মুরগির সুপ কারণ মুরগি হচ্ছে দেহকে গরম করার খাবার এবং এটি জ্বর, ঠাণ্ডা সারাতে সাহায্য করে। এছাড়া ডিম খেলে শরীর গরম হয় এবং এটি শীতকালে ঠাণ্ডা লাগার প্রবণতা কমাতে সাহায্য করে। তাই শীতকালের খাবার তালিকাতে এই দুটি খাবার অবশ্যই রাখা উচিত।

 ঠাণ্ডার সমস্যা এবং কাশি সারাতে আদা রসুনের মিশ্রণ খুবই ভাল কাজ করে, সেই সাথে শীতকালে দেহকে উষ্ণ রাখতেও সাহায্য করে। আদা দিয়ে তৈরি মশলা চা খেতে পারেন। এছাড়া বিভিন্ন খাবারে রসুন যোগ করে খেতে পারেন।

 সবাই জানে যে টক ফলে ভিটামিন সি থাকে কিন্তু অনেকেই এটা জানেন না যে পেয়ারাতে আরো অনেক বেশি ভিটামিন সি থাকে যা অনেক বেশি প্রতিরোধক ক্ষমতা বৃদ্ধি করতে সাহায্য করে।এতে আরো থাকে পটাশিয়াম এবং ম্যাগনেশিয়াম। এই ফলটিও শীতকালে দেহের উষ্ণতা বাড়াতে সাহায্য করে।

 একটি সত্যিকারের বিস্ময়কর খাবার হচ্ছে এই মধু যা নিয়মিত ভাবে শীতকালের খাবার তালিকায় থাকা উচিত। এটি চিনির বিকল্প হিসেবে খাওয়া যায় এবং ঠাণ্ডা ও গলা ব্যাথায় কার্যকরী ঔষধ হিসেবেও কাজ করে।যদি শীতকালে মধু জমে যায় তবে তা সামান্য গরম করলে আবার তরল হয়ে যায় এবং এটি ব্যবহার করা যায়। এটি শীতকালে শরীরকে উষ্ণ করার জন্য একটি উত্তম খাবার।


Post a Comment

coinpayu
coinpayu